আসন্ন সনমান্দি ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী, আমি আকাশ থেকে উড়ে আশা নেত্রী নই আমি সনমান্দি উন্নয়নে মাঠ নেত্রী-শ্যামলী

 



আসন্ন সনমান্দি ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী,আমি আকাশ থেকে উড়ে আশা নেত্রী নই

আমি সনমান্দি উন্নয়নে মাঠ নেত্রী-শ্যামলী


নিউজ ডেস্ক ঃ-- আমি আকাশ থেকে উড়ে আশা নেত্রী নই, আমি সনমান্দি ইউনিয়ন পরিষদের অসহায় জনগনের ভাগ্য উন্নয়নের মাঠ কাপানো নৌকার প্রতীক নিয়ে প্রত্যাশিত চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী নেত্রী শ্যামলী চৌধুরী । যিনি দীর্ঘদিব যাবত সোবারগাঁবাসীর পাশে থেকে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন। যিনি একজন সম্ভান্ত পরিবারের সন্তান হয়ে রাতের পর রাত দিনের পর দিন আপামর জনগনের সেবা দিয়ে আসছেন। এমনকি নিজের জীবন বাজী রেখে একজন করোনা যোদ্ধা হিসেবে এখনো যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন। মাদকের কড়াল গ্রাস থেকে মুক্ত করে তরুন সমাজকে দিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার আলো। ঘরে ঘরে পৌছে দিয়েছেন ব্যাক্তিগত ত্রান সামগ্রী। কখনো আবার আরাম আয়েশ পরিহার করে সময় অসময় করোনায় আক্রান্ত রোগীদের নিয়ে ছুটে চলছেন হাসপাতালে। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গীকার "গাছ হবে সুন্দর ভাবে বেঁচে থাকার প্রান"। তাইতো যুব সমাজকে সাথে নিয়ে পরিবেশ উন্নয়নে একের পর এক গাছের চারা রোপন করিয়েছেন। এমনকি গত উপজেলা নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনও করেছেন। সেখানে আপামর জনগনের বেশ একটা সারা পেয়েছিলেন। মাত্র সামান্য কিছু ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হলেও ঘরে বসে থাকেনি শ্যামলী চৌধুরী৷ নিজ হাতে হাজারো পরিবারের মাঝে ব্যাক্তিগত ত্রান বিতরন করেছে। এমনকি খেটে খাওয়া দিন মজুরের পরিবারকে কখনো বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা থেকে শুরু করে নারী উন্নয়নে সমাজে অনেকটাই অবদান রেখে যাচ্ছেন। তার এ পরিশ্রম আর সফলতায় এলাকার জনগনের মাঝে সমর্থন আদায় করতে পেরেছেন। অনেকেই আবার দাবী করেন জনবান্ধব হিসেবে শ্যামলী চৌধুরী নৌকা প্রতীক পাওয়ার যোগ্য। বর্তমান আওয়ামিলীগ সরকারের প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা শ্যামলী চৌধুরীকে নৌকা প্রতীক উপহার দিলে সনমান্দি ইউনিয়ন পরিষদ ডিজিটাল পরিষদ হিসেবে রুপান্তরিত হবে। এ বিষয়ে শ্যামলী চৌধুরীর ফেইসবুক থেকে নেয়া বক্তব্য তুলে ধরা হলো-আমি শ্যামলী চৌধুরী সনমান্দী ইউনিয়ন বাসীকে লক্ষ্য করে বলছি, আপনারা জানেন গত উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচনে মাত্র অল্প কিছু ভোটের ব্যবধানে আমি পরাজিত হই।
নির্বাচনের পর তিন মাস আমি জনগণের বাহিরে ছিলাম। তিন মাস পর থেকে সনমান্দী ইউনিয়নকে টার্গেট নিয়ে আজ পর্যন্ত আমি মাঠে আছি। নির্বাচনে পরাজিত হয়েও নিজের টাকা খরচ করে সনমান্দী ইউনিয়ন এর অসহায় দরিদ্র মানুষকে আমি বয়স্কভাতা কার্ড,বিধবা ভাতার কার্ড সহ বিভিন্ন সরকারি সুবিধা দিয়েছি।
করোনাকালিন সময়ে নগদ অর্থ, খাদ্য সামগ্রী, হ্যান্ড স্যানেটাইজার,মাস্ক সহ জনসচেতনতা মূলক লিফলেট বিতরন করেছি। উপজেলা নির্বাচনের তিন মাস পর থেকে আজ পর্যন্ত আমি সনমান্দী ইউনিয়ন এর মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে তাদের খোজ খবর নিয়েছি।
মেঘ,বৃষ্টি, ঝর,তুফান, প্রচন্ড রৌদ্র ও সাঁকোতে গিয়ে তাদের খুজ খবর নিয়েছি।
আমি যদি নির্বাচনে জয়ী নাও হই তারপরও সনমান্দী ইউনিয়ন বাসীর পাশে আমি সর্বদা আছি। অনেকে নির্বাচনের দুই-তিন মাস আগে থেকে মাঠে নেমে মিটিং, মিছিল করে আপনারা আমাকে সেই কাতারে নিয়েন না।
আমার নেত্রীর আদর্শ নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই বহু দূর। বাকিটা আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছে। খেলার মাঠে কোন খেলোয়ারই ছোট নয়। তাই আমি একজন খেলোয়ার হিসেবে সুস্ঠভাবে খেলার মাঠে খেলতে চাই। সে খেলায় আপনাদের সমর্থন দোয়া আর ভালোবাসায় গোল দিতে চাই।

Post a Comment

[blogger]

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget